Bangla24x7 Desk : মৃত্যুই চূড়ান্ত সত্য ! হিন্দু ধর্ম মতে, জন্মের পর কর্মের ভিত্তিতেই স্বর্গ-নরক নির্ধারিত। ধর্মও শাস্ত্র অনুসারে স্বর্গ ও নরক এই উভয় অবস্থান যে বিদ্যমান তার কোনও উল্লেখ নেই। মৃত্যুর অপর পারে কী কী হয় , তা প্রতিটি মানুষের কৌতূহলের বিষয়। জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুসারে, মৃত্যুর আগে শরীর ও মনে বেশ কিছু লক্ষণ দেখা যায়। সেই লক্ষণ গুলি দেখলেই বুঝতে পারবেন, আপনি জীবনের শেষ প্রান্তে ।

মৃত্যুর কয়েক দিন আগে থেকে ব্যক্তির ছায়া তাকে ছেড়ে চলে যায়। একজনের ছায়া থেকে শরীর আলাদা দেখতে শুরু করে। ছায়ার মাথাটি দেখতে পাওয়া যায় না এই সময়। মৃত্যুর আগে আয়নায়, তেলে বা জলে মুখ দেখতে পান না। এমনকি শোনার ও দেখার ক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে। চোখের সামনে ঘন কালো অন্ধকার দেখতে পান। মৃত্যুর আগে, একজন ব্যক্তির হাতের রেখা গুলি অস্পষ্ট ও খুব হালকা হয়ে যায়। অদৃশ্য হতে শুরু করে যে তাদের দেখতে পাওয়াটা বেশ কঠিন।

পুরাণ অনুসারে, মৃত্যুর শব্দ প্রথমে নাভি চক্রে অনুভূত হয়। মৃত্যুর আগে নাভি চক্র ভাঙ্গতে শুরু করে। চক্র ভেঙে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুর কাছাকাছি আসার আরও অনেক লক্ষণ অনুভূত হতে শুরু করে। মৃত্যুর আগে শরীর থেকে অদ্ভুত গন্ধ বের হতে থাকে। এই গন্ধ মৃতদেহ থেকে আসা গন্ধের মত। সাধারণত এমনটা ঘটে, যারা মারাত্মক রোগের শিকার হন। তার মানে তাদের শরীর ভেতর থেকে অনেকটাই মৃত। মৃত্যুর কিছু সময় আগে , একজন ব্যক্তি তার চারপাশে যমদূতকে দেখতে শুরু করেন। যমরাজকে দেখার পর থেকেই রাতের ঘুম উবে যায়।

আশেপাশে দাঁড়িয়ে থাকা লোকজনকে সে দেখতে পায় না। হিন্দু ধর্ম অনুসারে, স্বাভাবিক মৃত্যু বা অকাল মৃত্যু, প্রক্রিয়াটি ছয় মাস আগে নির্ধারণ করা হয়। যদি কোনও ব্যক্তি এই লক্ষণ গুলি সময় মতো বুঝে যান তাহলে তো খুব ভালো। ভগবানের অপার আশীর্বাদ থাকলে সেই মৃত্যু রোধ হয়ে যেতে পারে। মৃত্যু যে আসন্ন, তা বুঝতে পারা কঠিন। এই লক্ষণ গুলি কয়েক মাস আগে থেকে মৃত্যুর কয়েক মুহূর্ত পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। মৃত্যুর সময় যত ঘনিয়ে আসে, সেই লক্ষণ গুলির তীব্রতা বাড়তে থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *