Bangla24x7 Desk : গত কয়েক মাস ধরে বঙ্গ রাজনীতিতে বহু চর্চিত নাম অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি থাকাকালীন নিয়োগ দুর্নীতি ইস্যুতে লাগাতার রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেছেন। সরকার বিরোধী রায় দিয়েছেন। তা নিয়ে শাসকদলের সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছে তাঁকে। এর পর আচমকাই বিচারব্যবস্থা থেকে সরে দাঁড়ান। অবসর নেন। তার দিন কয়েকের মধ্যেই বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। ভোটের টিকিটও পেয়ে যান কলকাতা হাই কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি। তমলুক থেকে ভোটে লড়াই করেন। প্রথমবারের নির্বাচনে জিতেও যান। অন্যদিকে বালুরঘাটের সুকান্ত মজুমদার আর বিষ্ণুপুরের সৌমিত্র খাঁ – একজনের কেন্দ্রের গভীর রাত পর্যন্ত গণনায় জয় নিশ্চিত হওয়া আরেকজন তো আবার দলের বিরুদ্ধেই নির্বাচনে অন্তর্ঘাতের অভিযোগ তুলেছেন।  ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ১৮টি আসন পেয়েছিল বাংলা থেকে। 

সেই সময় প্রথমে প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছিল বাংলার দুজনকে- দেবশ্রী চৌধুরী ও বাবুল সুপ্রিয়। পরে তাঁদের দুজনকেই মন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ২০২১-এ বাংলা থেকে প্রতিমন্ত্রী করা হয় চারজনকে- নিশীথ প্রামাণিক, শান্তনু ঠাকুর, জন বার্লা ও সুভাষ সরকার। এবার আসন সংখ্যা কমেছে।  মোট ২৯২টি আসন পেয়েছে এনডি। বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। তাই সরকার গঠনের জন্য শরিকদের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে বিজেপি। ইতিমধ্যেই সব শরিক দলের সঙ্গে বৈঠক সেরেছেন নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ। কে কোন মন্ত্রক চাইছে, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে সম্ভবত। তাই বিজেপি থেকে কজন মন্ত্রী হবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, শুধু নাইডু বা নীতীশ নন, যাদের ৫ জনও সাংসদ আছে, তারাও চাপ দিচ্ছে। তাই বাংলা থেকে পূর্ণমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে। মন্ত্রিত্ব বন্টন নিয়ে দুই শরিক টিডিপি ও জেডিইউ-র চাপ রয়েছে। পুরনো মন্ত্রীদেরও জায়গা দিতে হবে। ফলে বঙ্গীয় বিজেপি সাংসদরা আদৌ মন্ত্রিত্ব পাবেন কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে ওয়াকিবহাল মহল। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *