Bangla24x7 Desk : ‘ক্ষমতায় থাকলে হারের দায় নিতে হবে’- নাম না করে শুভেন্দু-সুকান্তকে বিঁধলেন দিলীপ ঘোষ। দিলীপ ঘোষের দাবি, মেদিনীপুর কেন্দ্র থেকে সরিয়ে আনা ভুল হয়েছিল, সেটা প্রমাণিত। কে সরিয়ে এনেছে? জবাবে নাম না করে শুভেন্দু-সুকান্তকে বিঁধে বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতির দাবি, “এত দিন তো সব দোষ তো দিলীপ ঘোষ হত। এখন যারা ক্ষমতায় আছেন দায় তাঁদের নিতে হবে। জিতলে মালা পরব আর হারলে দায় নেব না, এটা তো হয় না।” উনিশের লোকসভায় বাংলায় চোখ ধাঁধানো ফল করেছিল বিজেপি। নেপথ্য ছিলেন দিলীপ ঘোষ। এবার সেই কৌশলীর কেন্দ্র বদল হয়েছে। ১ লক্ষের বেশি ভোটে হারতে হয়েছে তাঁকে। তাঁর হারের দায় কার? জবাবে বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতির দাবি, “এখন যারা ক্ষমতায় আছেন দায় তাঁদের নিতে হবে। জিতলে মালা পরব আর হারলে দায় নেব না, এটা তো হয় না।”

মেদিনীপুর কেন্দ্র থেকে সরিয়ে দিলীপ ঘোষকে এবার বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রের প্রার্থী করা হয়েছিল। কার হাত ছিল এর নেপথ্যে? দিলীপ বলছেন, “ভূমিকা তো থাকেই দলেরই। কার ভূমিকা আমি জানি না। খোঁজ করারও কথা নয়। পার্টি বলেছে, আমি শৃঙ্খলাবদ্ধ কর্মী। আমায় দল নির্বাচনে লড়তে বলেছে, আমি লড়েছি, জিতেছি- তখন অনেককিছু আমার হাতে ছিল। এখন খালি লড়াইটা আমার হাতে ছিল।” দীর্ঘদিন রাজ্য সভাপতি ছিলেন দিলীপ। সেই সময় কাজের হিসেব তুলে ধরে তাঁর দাবি, “গ্রামে গ্রামে গিয়ে সংগঠন তৈরি করেছিলাম। সবাই আমার পক্ষে ছিল। দলের সিদ্ধান্ত ভুল ছিল, তা প্রমাণিত।” রাজ্যে ৩০ আসনের ধুঁয়ো তুলে মোটে ১২ আসনে জয় এসেছে। বঙ্গ বিজেপির এই করুণ দশার জন্য সংগঠনের ফাঁকফোকরকেই দায়ী করলেন দিলীপ। তাঁর কথায়, “বাংলায় বিজেপির সংগঠন একেবারে শুয়ে পড়েছে। জেলা থেকে মণ্ডলে নতুন লোক এসেছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *