img-2

Bangla24x7 Desk : মন্ত্রী-বিধায়ক কাউকে রেয়াত করেননি মুখ্যমন্ত্রী। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠকের পর বদলে ফেলা হচ্ছে পুর সচিব। নবান্নে সভাঘরে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে ধমক, বকাবকি। বৈঠকের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অগ্নিশর্মা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জায়গায় জায়গায় পুর প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। কোথায় কী কাজ হচ্ছে, কোথায় কোন কাজে খামতি রয়েছে, প্রতিটি বিষয় ধরে ধরে উষ্মাপ্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। শুধু পুরসভাগুলির কাজ নিয়ে নয়, বিভিন্ন উন্নয়ন পর্ষদগুলির প্রয়োজনীয়তা নিয়েও এদিন প্রশ্ন তুলেছেন মমতা। জমি জবরদখলের অভিযোগও এদিন উঠে এসেছে মুখ্য়মন্ত্রীর গলায়। বলেছেন, ‘আমি বেশ কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করছি, কোথাও যখন দখলদারি চলছে, তখনও কোনও অ্য়াকশন নেওয়া হচ্ছে না।’

img-3

সোমবার নবান্নের বৈঠকে একাধিক পুরসভা এলাকায় কাজ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঝালদা ও তাহেরপুর বাদে প্রতিটি পুর এলাকার প্রতিনিধিরাই আজ উপস্থিত ছিলেন এদিনের বৈঠকে। প্রতিটি পুরসভা ও পুরনিগম ধরে ধরে প্রতিটি এলাকার হিসেব নেন মমতা। এসবের মধ্যেই সোমবার নবান্নের বৈঠক শেষ হতে না হতেই দুই দফতরে সচিব বদল করে দেওয়া হল। নতুন পুুরসচিব হিসেবে দায়িত্বে আনা হল বিনোদ কুমারকে এবং ভূমি দফতরের সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে বিবেক কুমারকে। 

সল্টলেক, রাজারহাট, গোপালপুর মূলত অফিস পাড়া। রাস্তার দু’পাশে ফুটপাত দখল করে গজিয়ে উঠেছে বিভিন্ন ধরনের খাবারের দোকান। বিশেষ করে সল্টলেক চত্বরে গেলে এই দৃশ্য কারও অজানা নয়। এবার এই নিয়েই ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ দিন বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন,”সল্টলেক আমার বলতে লজ্জা লাগছে। রাজারহাটেও শুরু হয়েছে বেআইনি দখল। সল্টলেকেও ইচ্ছামতো সুজিত বসু লোক বসাচ্ছেন। কেন বাইরের লোক বসবে।” এরপরই একটি ছবি তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “ছবি দেখালে নিজেরাই লজ্জা পাবেন। এআরডি অফিসের সামনের রাস্তাও দখল হয়ে গিয়েছে। একটা করে ত্রিপল লাগাচ্ছেন বসে পড়ছেন। কেন? হোয়াই…হোয়াই…হোয়াই ? কেন রাস্তা ঝাড় দেয় না। শুধু কি উপর দিকে তাকালে হবে? 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *