img-2

Bangla24x7 Desk : ৬ বছর পর ভাইফোঁটায় মমতার দুয়ারে মুকুল রায় , গেলেন শোভন-বৈশাখী ! নয়া সমীকরণের ইঙ্গিত। রাজনৈতিক দূরত্ব ভুলে এহেন ‘রিইউয়নে’ খুশি সকলেই। যদিও ভাইফোঁটায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি যাওয়া নতুন কিছু নয় বলেই জানালেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। ভাইফোঁটায় বরাবরই তাঁর বাড়িতে ‘ভাই’দের সমাবেশ ঘটে। বিশেষত দলের সহকর্মীদের বাড়িতে ডেকে ফোঁটা দেন ‘দিদি’। হাতে তুলে দেন উপহারও। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হল না। তবে এবছর মুখ্যমন্ত্রীর কালীঘাটের বাড়িতে ভাইফোঁটার অনুষ্ঠান একটু অন্যরকম হল।

৮ বছর পর এবার কালীঘাটের বাড়িতে যাঁর উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ল, তিনি দলের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায়। ২০২১ এ বিধানসভা ভোটের পর বিজেপি থেকে ফের তৃণমূলে ফেরার পর থেকেই গুঞ্জন শুরু হয়েছিল, দলের কোন গুরুদায়িত্ব তাঁকে দেওয়া হবে। তবে মাঝে মুকুল রায় অসুস্থ থাকায় সেভাবে দলের কাজ করতে পারেননি। কিন্তু আপাতত তিনি সুস্থ। দশমীর পর একদিন কালীঘাটে গিয়ে বিজয়ার শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন মুকুল রায়।

img-3

আর ৬ বছর পর ভাইফোঁটায় গেলেন তিনি। শেষবার ২০১৬ সালে গিয়েছিলেন ভাইফোঁটায়। সাধারণত মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ভাইফোঁটার অনুষ্ঠান যথেষ্ট ঘনিষ্ঠ বৃত্তের মধ্যেই পালিত হয়। এবার মুকুল রায় সেখানে উপস্থিত হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে ফের জল্পনা শুরু হয়েছে, মুকুল ফের মমতার ঘনিষ্ঠ বৃত্তে ঢুকে পড়েছেন। পঞ্চায়েত ভোটের আগে কি তবে বড় কোনও দায়িত্ব পেতে চলেছেন মুকুল রায় ? শুরু হয়েছে জল্পনা।

শেষবার মুখ্যমন্ত্রীর কালীঘাটের বাড়িতে জমজমাট ভাইফোঁটা হয়েছিল ২০১৯ সালে। তারপর কোভিডের কোপে ২ বছর সেভাবে অনুষ্ঠান হয়নি। এ বছর আবার ৩০ বি , হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাড়িতে ভাইফোঁটায় জনসমাগম। আর সেখানে নজর কাড়ল মুকুল রায়, শোভন চট্টোপাধ্যায়, বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি। যদিও একে ‘পারিবারিক অনুষ্ঠান’ বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ”শোভন ভাইফোঁটা পেল, আমি আশীর্বাদ পেলাম। মমতার মমত্ব এত বেশি, উনি সবাইকে খাওয়াচ্ছেন। ওঁদের মধ্যে একটা টান সবসময় রয়েছে। ভাইবোনের এই সম্পর্ক ছিলই, মাঝে একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। অভিমানের মেঘ কেটে গিয়েছে। এটাই সবচেয়ে ভাল।”

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *