img-2

Bangla24x7 Desk : শুভেন্দু অধিকারীর অফিস ও বাড়িতে পুলিশি তল্লাশি নয় – অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ হাই কোর্টের। শুভেন্দু অধিকারীর অফিস ও বাড়িতে পুলিশি তল্লাশি নয় – অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ হাই কোর্টের। কোলাঘাটে শুভেন্দুর অফিস এবং বাড়িতে তল্লাশিতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করল হাই কোর্ট। কোলাঘাট থানায় দায়ের হওয়া FIR এর উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। আগামী ১১ জুন পরবর্তী শুনানি রয়েছে এই মামলার। বিচারপতি সিনহা জানিয়েছেন , এই সময়ের মধ্যে জরুরি কোনও নির্দেশের প্রয়োজন হলে আদালতের দ্বারস্থ হতে পারবে পুলিশ।

img-3

শুক্রবার আদালতে শুভেন্দু অধিকারীর হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, গত ২০ মে কোনও সার্চ ওয়ারেন্ট ছাড়াই কোলাঘাটে ওই অফিস তথা অস্থায়ী বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিল পুলিশ। পুলিশের তরফে স্বতঃপ্রণোদিত এফআইআরও দায়ের করা হয়েছিল বলে দাবি শুভেন্দুর আইনজীবীর। তিনি আরও জানান, অভিযোগ করা হয়েছিল ওই অফিসে বোমা, অস্ত্র ও নগদ টাকা মজুত রাখা হয়েছিল। যদিও এমন কিছুই সেখান থেকে পাওয়া যায়নি বলে দাবি শুভেন্দুর। গত মঙ্গলবার বিকেলে আচমকাই কোলাঘাটের বাড়িতে পুলিশ হানা দেয়। কমপক্ষে ৭০-৮০ জন তাঁর বাড়িতে জোর তল্লাশি চালায়। পুলিশের দাবি, তাঁর বাড়িতে এক দুষ্কৃতী আশ্রয় নিয়েছে। সে কারণে পুলিশ যায়।

এদিন শুভেন্দুর আইনজীবী দাবি করেন, নির্বাচনের সময় হেনস্তার জন্য শুভেন্দুর বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। যদিও পুলিশের তরফে জানানো হয়, শুভেন্দুর নামে ভাড়া বাড়িটি ভাড়া নেওয়া বলেই জানা ছিল। আদতে ওই বাড়ির মালিক সুরজিৎ দাস। ওই বাড়িতে প্রচুর পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র লুকনো রয়েছে বলেই জানতে পারে পুলিশ। সে কারণেই তল্লাশিতে যান তদন্তকারীরা। রাজ্যের তরফে আইনজবী সম্রাট সেন সওয়াল করেন, এই মামলার ক্ষেত্রে শুভেন্দু অভিযুক্ত বা সাক্ষী নন। যে বাড়িটিতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল, সেটা শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি নয়। সেটি সুরজিৎ দাস নামে এক ব্যক্তির সম্পত্তি বলে দাবি রাজ্যের আইনজীবীর। তাঁর প্রশ্ন, যদি কোনও অভিযোগ আসে, তাহলে কি সেটা খতিয়ে দেখবে না পুলিশ ? রাজ্যের তরফে আরও দাবি করা হয়, পুলিশকে কাজ করতে বাধা দেওয়া হয়েছে। বেশ কয়েকটি ঘর তালাবন্ধ ছিল। ফলে পুলিশ ঢুকতে না পেরে ফিরে এসেছে বলেই দাবি রাজ্যের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *