img-2

Bangla24x7 Desk : বুধবার রাষ্ট্রপতির ভাষণে ধন্যবাদ জ্ঞাপন প্রস্তাবের উপর লোকসভায় বক্তব্য পেশ করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সংসদে প্রবেশ করার পরই দেখা যায় একটি নীল জ্যাকেট পরে এসেছেন মোদি। এটি তৈরি হয়েছে প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে। জানা গিয়েছে, এই জ্যাকেট প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দিয়েছে ‘ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন’। বেঙ্গালুরুতে ভারত শক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে এই পোশাক উপহার দেওয়া হয়েছে। এটি তৈরি হয়েছে প্লাস্টিকের বোতলকে পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে তুলে। জানা যাচ্ছে, সব মিলিয়ে এই ধরনের ১০ কোটি বোতল থেকে পোশাক তৈরি করা হবে। মঙ্গলবারই কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী জানতে চেয়েছেন, আদানি ও মোদির মধ্যে কী সম্পর্ক তা পরিষ্কার করুক কেন্দ্র। তাঁর এই মন্তব্যকে নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই ধরনের মন্তব্যকে ‘অসাংবিধানিক’ বলে তোপ দেগেছেন বিজেপি সাংসদরা। গত সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারত শক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন করেন। সেই সময় তাঁকে বলতে শোনা যায়, ২০২৩-২৪ সালের বাজেটে ১০ লক্ষ কোটি টাকার মূলধন ব্যয় করার কথা বলা হয়েছে। যা সবুজ শক্তি, সৌরবিদ্যুৎ ও সড়ক খাতকে উৎসাহিত করবে।

img-3

এদিন বক্তব্যের শুরু থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সংসদে অনেকেই নিজের নিজের বক্তব্য পেশ করেছেন। তাঁদের নিজের নিজের রুচি, সংস্কৃতি অনুযায়ী তাঁরা বক্তব্য রেখেছেন। সেগুলি বোঝার চেষ্টা করেছি। বক্তব্য শুনে বুঝতে পেরেছি কার কত যোগ্যতা, কার কত বুদ্ধি আর কার কত ক্ষমতা। কিছু মানুষের ভাষণের পর গোটা ইকোসিস্টেম নড়ে গিয়েছিল। যারা তাঁদের বাহবা দিয়েছেন, তাঁদের হয়ত ভালো ঘুম হয়েছে। আজ হয়ত তাঁরা উঠতে পারেননি। এটা বলে বলে আমি মনে মনে খুশি হচ্ছি যে তাঁদের দিন শেষ।”

প্রধানমন্ত্রী এদিন কারও নাম না করে বলেন, “একজন বড় নেতা রাষ্ট্রপতির অপমান করে ফেলেছেন। আমাদের জনজাতির প্রতি তাঁর কী মনোভাবনা বোঝা গিয়েছে। তাঁর অন্দরে থাকা ঘৃণার বিজ সামনে এসে গিয়েছে। যদিও চিঠি লিখে বাঁচার চেষ্টা করেছেন। রাষ্ট্রপতির ভাষণ নিয়ে কারও কোনও আপত্তি নেই।” রাষ্ট্রপতির ভাষণের কিছু অংশ পড়ে শোনান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “আমার আশঙ্কা, সরকারের উন্নতি নিয়ে রাষ্ট্রপতির ভাষণের কথাগুলো শুনে আপত্তি শুরু হবে। আমি খুশি কেউ বিরোধীতা করেনি। সবাই স্বীকার করে নিয়েছেন। সংসদে হাসি মজা, টিপন্নি হতেই থাকে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *