img-2

Bangla24x7 Desk : নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জারি ধরপাকড়। এবার সিবিআইয়ের হাতে  গ্রেপ্তার বাগদার রঞ্জন ওরফে চন্দন মণ্ডল। শুক্রবার তাকে নিজাম প্যালেসে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগে শেষমেশ গ্রেপ্তার করা হয় তাকে। ধৃতকে আজই আলিপুর আদালতে পেশ করা হয়েছে। তাকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সিবিআই।

রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা প্রাক্তন সিবিআই কর্তা উপেন বিশ্বাস সোশ‌্যাল মিডিয়ায় প্রথম উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার ‘রঞ্জনে’র নাম সামনে আনেন। তিনি ‘সৎ রঞ্জন’ নাম ব্যবহার করে প্রথম চন্দনের বিরুদ্ধে অভিযোগ সামনে আনেন। টাকা নিয়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। পরে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে চন্দনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। ‘রঞ্জন’ ওরফে চন্দন মণ্ডল চাকরি বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ করেন। তারই ভিত্তিতে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে সিবিআই রঞ্জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। তারপর থেকে রঞ্জনকে একাধিকবার তলব করে সিবিআই। ‘রঞ্জন’ দাবি করেন, তাঁকে উপেন বিশ্বাস ফাঁসিয়েছেন মাত্র। তাঁর সঙ্গে এই দুর্নীতির কোনও সম্পর্ক নেই।
img-3
উপেন বিশ্বাস দাবি করেছিলেন, চাকরির বিক্রির অভিযোগের কথা তাঁর কানে এসেছে। কী সেই অভিযোগ? রঞ্জন ওরফে চন্দন শিক্ষকের চাকরি বিক্রি করেন। ১০ লক্ষ বা ১৫ লক্ষ টাকা নিয়ে চাকরির আশ্বাস দেন তিনি। চন্দন নাকি বলতেন, উত্তরপত্রে কিছু লেখা যাবে না। শুধু নাম আর রোল নম্বর দিতে হবে। উত্তর লিখলে চাকরি পাওয়া যাবে না। পরে আদালতেও উপেন বিশ্বাস এ কথা জানান।
সিবিআইয়ের অভিযোগ, নিয়োগ দুর্নীতির দালাল অভিযোগে ধৃত প্রসন্ন রায়কে জেরা করেও ‘রঞ্জনে’র নাম সামনে এসেছে। রঞ্জন এবং প্রসন্ন যে যোগাযোগ রয়েছে, সেই তথ‌্য উঠে আসে। যদিও রঞ্জনের দাবি, তার সঙ্গে প্রসন্নর ব‌্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল। তার বিরুদ্ধে উপেন বিশ্বাস অভিযোগ জানালেন কেন, তা জানতে সিবিআই তাকে বারবার জেরা করে। তার সামনে বেশ কিছু নথি এবং তথ‌্যও তুলে ধরা হয়। সিবিআইয়ের দাবি, বারবার তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করেছে রঞ্জন। সে কারণে অবশেষে গ্রেপ্তার করা হল বাগদার ‘রঞ্জন’কে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *