Bangla24x7 Desk : সন্দেশখালিতে মাথা ফাটল তৃণমূল কর্মীর , সীমারেখা পেরোলেন বিজেপি প্রার্থী রেখা – অভিযোগ তৃণমূলের। প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই রেখাকে ( Rekha Partra )ঘিরে নানা বিতর্ক। ভোটের দিনও বিতর্ক পিছু ছাড়ল না তাঁকে। সন্দেশখালিতে ভোট দিয়ে বেরনোর সময় বিতর্কের মাঝে রেখা পাত্র। তৃণমূলের অভিযোগ,  বুথের মধ্যেই ভোটারকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানান বসিরহাট লোকসভার বিজেপি প্রার্থী। নকল EVM-এ কোথায় ভোট দিতে হবে, তাও নাকি দেখান বিজেপি কর্মী। আর তা নিয়েই প্রতিবাদ জানান তৃণমূল এজেন্ট।

সন্দেশখালির আন্দোলন শুধুমাত্র ভোটের লড়াই নয়, মেয়েদের সম্মানরক্ষার লড়াই। সন্দেশখালির মানুষ যে জমি হারিয়েছে, তা ফিরে পাওয়ার লড়াই। তৃণমূল কংগ্রেস আমাদের এই আন্দোলনকে অসম্মান করার চেষ্টা করেছে। আর গোটা সন্দেশখালিই একটা পরিবার। বসিরহাটের মানুষ একসঙ্গে এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়বে , আশা রেখার।  সন্দেশখালি আন্দোলনের মুখ রেখার সমর্থনে প্রচারে এসেছিলেন নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। তিনি বলেছিলেন,’মা দুর্গার সত্যিকারের পূজারী তিনি (রেখা পাত্র)। বাংলায় শাহজাহান শেখের মতো অত্যাচারীদের সাহস… এরকম এক-দু’জন নেই, প্রতি গলি, প্রতি পাড়ায় এরকম লোক বসে আছে। এদের সাহস যাতে আর না বাড়ে, সেই জন্য রেখা পাত্রকে জয়ী করা জরুরি। ‘ 

সন্দেশখালির পাত্রপাড়ার ১৭১ নম্বর বুথে ভোট দেন বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র। একই সঙ্গে ১৭০ নম্বর বুথে ভোট দিয়েছেন সিপিএম প্রার্থী নিরাপদ সর্দার। অন্যদিকে, শনিবার সকালে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল সন্দেশখালির দক্ষিণ খুলনা অঞ্চল। সেখানে ১৭৭ নম্বর বুথের পঞ্চায়েত সদস্য মণিকা মণ্ডলের স্বামী তথা এলাকার তৃণমূলকর্মী রামকৃষ্ণ মণ্ডলকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তাঁর মাথা ফেটে গিয়েছে। অভিযোগের তির বিজেপির দিকে। আক্রান্ত জানিয়েছেন, তিনি ভোট দিতে গেলে তাঁকে ঘিরে ধরেন বিজেপি কর্মীরা। তার পর মারধর করা হয়। তাতে তাঁর মাথা ফেটে যায়। বিজেপি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বিজেপির বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস ঘোষ বলেন, ‘‘রামকৃষ্ণ মণ্ডল দলবল নিয়ে বুথ দখল করতে গিয়েছিলেন। তাই গ্রামবাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঁর উপরে চড়াও হন। হাতাহাতিতে তিনি জখম হন। এর সঙ্গে বিজেপির কোনও সম্পর্ক নেই।’’

                

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *