img-2

Bangla24x7 Desk : ইকো পার্কে তৃণমূলের বিজয়া সম্মিলনী , আমন্ত্রণ না পেয়ে ‘অভিমানী’ TMC বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায়। বিজয়া সম্মিলনীতে ডাক পাননি রাজারহাটের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা তাপস চট্টোপাধ্যায়। অভিযোগ, তাঁর বিধানসভা এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে পরপর দু’বার ব্রাত্য রইলেন তিনি। ‘অভিমানী’ নেতার আক্ষেপ, “হয়তো আমার কাজের স্ট্যাটাস ওই অনুষ্ঠানে যাওয়ার মতো নয়।” তাঁকে আমন্ত্রণ না করে নিউটাউনবাসীকে অপমান করা হয়েছে বলেও দাবি তাপসের। দলীয় বিধায়কের এই মন্তব্য অস্বস্তিতে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, “তাপসদা মন দিয়ে তৃণমূল করছেন। দক্ষ সংগঠক। আমি এ নিয়ে কথা বলব।” তবে তৃণমূলের অন্দরের অশান্তি নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধীরা।

img-3

বৃহস্পতিবার ক্ষোভ উগড়ে দেন তৃণমূল বিধায়ক। বলেন, “আমার বিধানসভা এলাকায় বিজয়া সম্মিলনী হন অথচ আমি জানলাম না। এর আগেও আমি ডাক পাইনি। হয়তো আমার কাজের স্ট্যাটাস সেখানে ডাক পাওয়ার মতো নয়।” তাপস বাবুর কটাক্ষ, “দলে এখন দু’টো শ্রেণি-বাবু ও চাকর। আমি দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ি। আমি ভাল গাইতে পারি না, ভাল নাচতে পারি না তাই হয়তো ডাক পাই না। যারা একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রীকে কটূ কথা বলেছেন, তাঁরা এখন ডাক পান।” নাম না করে বিজেপি থেকে ঘরে ফেরা সব্যসাচী দত্তকেই তিনি নিশানা করেছেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। রাজারহাট এলাকার পোড়খাওয়া রাজনীতিবিদের আরও আক্ষেপ, আমি সারা বছর কাজ করি। কিন্তু আমার কাজ হয়তো ঠিক জায়গায় পৌঁছয় না। যেখানে জানার সেখানে জানতে পারে না।”

এই প্রসঙ্গে তাপস বাবুর পুরনো সতীর্থ তথা সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, এসব ওদের দলের ব্যাপার। কী বলব। বিজয়া সম্মিলনীটা কীসের সেটাই বুঝলাম না। তৃণমূল দলটার বিজয়া হচ্ছে , তারই কি সম্মিলনী? কটাক্ষ করেছেন বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য। বলেন , এটা ওদের দলের অভ্যন্তরীণ রসায়ন। তৃণমূল ছেড়ে ওদের এক নেতা সব্যসাচী দত্ত আমাদের দলে বেড়াতে এসেছিলেন। তিনি তো বলেছিলেন, তাঁর দল ছাড়ার অন্যতম কারণ তাপস চট্টোপাধ্যায়। এখন সেই সব্যসাচী মুখ্যমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ। স্বাভাবিকভাবেই তাপসবাবুর খারাপ লাগছে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *