img-2

Bangla24x7 Desk : পঞ্চায়েতের আগে মাস্টারস্ট্রোক। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের আওতায় ষাটোর্ধ্ব মহিলারা পাবেন ১ হাজার টাকা। ষাটোর্ধ্ব যে সমস্ত মহিলারা বিধবা ভাতা পান না, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে তাঁদের বরাদ্দ বাড়ল। ৫০০-র বদলে মাসিক এক হাজার টাকা পাবেন তাঁরা। সরাসরি পেনশনের আওতায় চলে আসবেন তাঁরা। রাজ্য়ের তরফে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যে ১ কোটি ৮৮ লক্ষ মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে সুবিধা পান। ৬০ বছর পরেও যাতে তাঁদের ভাতা বন্ধ না হয়, সেই লক্ষ্যে তাঁদের সরাসরি পেনশনের আওতায় আনছে রাজ্য। প্রতি মাসে তাঁরা ১ হাজার টাকা পেনশন পাবেন। ফলে তাঁদের আর আলাদা করে আবেদনের ঝঞ্ঝাটে জড়াতে হবে না। এদিকে এই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের প্রকল্পের বিরোধিতায় বিধানসভার বাইরে অভিনব প্রতিবাদ দেখালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

img-3

মহিলাদের জন্য় চালু হয়েছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প। এই প্রকল্পে তফসিলি জাতি-উপজাতির মহিলাদের জন্য় মাসিক ১০০০ টাকা ও অন্যান্য মহিলাদের জন্য় ৫০০ টাকা পেতেন। তবে এই ভাতা পেতেন ২৫-৬০ বছর বয়সিরা। এবার সেই প্রকল্পের আওতায় এলেন যাটোর্ধ্ব মহিলারাও। এতদিন ৬০ বছর পেরিয়ে গেলে তাঁরা পেতেন বার্ধক্য ভাতা। এবার ষাটোর্ধ্ব মহিলারা বার্ধক্য ভাতা-সহ লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে মাসে ১ হাজার টাকা পাবেন। ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সি মৎস্যজীবীদের জন্য নতুন প্রকল্প ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। নাম ‘মৎস্যজীবী বন্ধু’। ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সি মৎস্যজীবীদের স্বাভাবিক বা অকালমৃত্যুতে তাঁদের পরিবারের সদস্যদের এককালীন ২ লক্ষ টাকা অর্থ সাহায্য করা হবে। এই খাতে ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার।

প্রসঙ্গত, সাধারণ কৃষকদের জন্য আগেই একই সুবিধা প্রদানে কৃষক-বন্ধু প্রকল্প চালু করা হয়েছে। ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়য় পর্যন্ত বেকার যুবক-যুবতীরা স্বনিযুক্ত ক্ষুদ্র উদ্যোগ চালুর জন্য ব্যাঙ্ক থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন। রাজ্য সরকার প্রকল্পে ১০ শতাংশ মার্জিন মানি হিসাবে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত সহায়তা দেবে।এছাড়া প্রকল্প ব্যয়ের ১৫ শতাংশ পর্যন্ত গ্যারান্টি দেবে সরকার। অর্থমন্ত্রী এই খাতে ৩৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছেন। রাজ্য সরকারের বক্তব্য, এরফলে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে। কীভাবে এই প্রকল্প দুটির সুবিধা মিলবে তা পরে জানাবে সরকার।

 

                    

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *