Bangla24x7 Desk : আড়াই মাসে তিনি মোট ২০৬টি প্রচার কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে জনসভা রয়েছে, রয়েছে রোড-শো।  ৭৬ টা দিন কেটে গিয়েছে। এই ৭৬ দিনে বলা যেতে পারে, একটা বৃত্ত সম্পূর্ণ করলেন তিনি। ২০১৯ নির্বাচনের সময়, প্রধানমন্ত্রী মোট ১৪৫ টি সভা করেছিলেন। এবার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে সভার সংখ্যা বাড়িয়েছেন তিনি। গুজরাতে ৫ টি আর বাংলায় ১৮ টি জনসভায় বাংলায় ভাষণ – বঙ্গ জয়ে বাঙালি আবেগই হাতিয়ার মোদীর ? তবে প্রচারে প্রধানমন্ত্রী মোদী জোর দিয়েছিলেন মূলত চারটি রাজ্যে। প্রচার কর্মসূচিগুলির অর্ধেকেরও বেশি ছিল এই রাজ্যগুলিতেই।

যেখানে নিজ রাজ্য গুজরাটে মোদী সভা করেছেন পাঁচটি , বাংলায় এবার ১৮টি সভা করেছেন তিনি। ২০১৯-এ বাংলায় ৪২টি আসনের মধ্যে ১৮টিতে জয় পেয়েছিল বিজেপি। এবার আসন সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশা করছে গেরুয়া শিবির। কলকাতায় একটি বড় রোড শোও করেছেন তিনি। দিয়েছেন বাংলায় ভাষণ , গিয়েছেন স্বামী বিবেকানন্দের সিমলা ষ্ট্রীটের বাড়িতে , শ্রদ্ধা জানিয়েছেন মা সারদাকে। বলাই যায় , বঙ্গ জয়ে বাঙালি আবেগই হাতিয়ার মোদীর। সবথেকে বেশি লোকসভা আসন আছে উত্তর প্রদেশে। এই রাজ্যেই সবথেকে বেশি নির্বাচনী ভাষণ দিয়েছেন মোদী, মোট ৩১টি। ২০১৯-এ এই রাজ্যে ৮০ টির মধ্যে ৬৪টি আসন জিতেছিল বিজেপি। এবার যোগী রাজ্যে আসন সংখ্যা আরও বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়েছে বিজেপি।

ওড়িশায় ১০ টি সভা করেছেন মোদী। এই রাজ্যে এবার এককভাবে লড়াই করছে বিজেপি। সরাসরি লড়াই নবীন পট্টনায়কের বিজেডির সঙ্গে। পুরিতেও বড় রোড শো করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ওড়িশার মতো মধ্যপ্রদেশেও তিনি ১০টি সভা করেছেন। ঝাড়খণ্ডে ৭টি সভা করেছেন, রাজস্থান এবং ছত্তিশগড় যথাক্রমে পাঁচটি এবং চারটি করে সভা করেছেন মোদী।  এরপর রয়েছে মহারাষ্ট্র। মহারাষ্ট্রে মোদী সভা করেছেন ১৯টি। বিহারে মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের জেডিইউ, নির্বাচনের ঠিক আগে আরও একবার এনডিএ-তে ফিরেছে। পাঞ্জাবে প্রধানমন্ত্রী সভা করেছেন চারটি, হরিয়ানায় তিনটি এবং দিল্লি, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখন্ডে দুটি করে জনসভা করেছেন তিনি। দক্ষিণ ভারতে পাঁচটি রাজ্যে মোট ৩৫টি সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্যে ১১টি সভা করেছেন কর্নাটকে। যেখানে এক বছর আগেও সরকারে ছিল বিজেপি। এছাড়া, তেলঙ্গানায় এবং তামিলনাড়ুতে সাতটি করে সভা করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *